রবিবার ১৪ জুন ২০২৬
Online Edition

কবিতা

ঘুম ভাঙলেই 

হারুন আল রাশিদ 

ঘুম ভাঙলেই ভোরের আলো

হাজার পাখির ডাক,

হৃদয়টাকে টানতে থাকে

পালং নদীর বাঁক।

 

ঘুম ভাঙলেই পড়াশোনা 

খাতা-কলম-বই,

বিদ্যালয়ের আঙিনাতে

একসাথে হৈচৈ। 

 

ঘুম ভাঙলেই হিমেল হাওয়া 

মনটাকে দেয় নাড়া,

কর্মমুখর এই পৃথিবীর 

নানান কাজের তাড়া।

 

ঘুম ভাঙলেই নতুন করে 

বাঁচার স্বপ্ন দেখা, 

বড় হওয়ার আকাক্সক্ষাতে

অজানাকে শেখা।

 

ভালোবাসি হেমন্তকে 

সুমন রায়হান

মেঘের মেয়ে বৃষ্টি তার চুকিয়ে গেছে পাঠ

জাগছে নদীর নতুন চর, হেমন্তেরই মাঠ।

 

রাস্তা ঘাট পুকুর পাড় ক্ষেতের আলও জাগে

দেখতে গাঁয়ের সেই চেহারা

নতুন নতুন লাগে।

 

ঋতুর রানী এলো আবার - কী অপরুপ সাজ

চাঁদনি রাতের হিম কুয়াশায় অবাক কারুকাজ।

 

সোনার আলোয় ঝলমলিয়ে জাগে পূর্বাকাশ

ঘাসের উপর শিশির জানায় শীতের পূর্বাভাস।

 

নাইকো তেমন শীতের প্রকোপ

নাইকো তুমুল বৃষ্টি 

সুখের দোলায় দোলে কৃষক ধানের শীষে দৃষ্টি ।

 

আমি আমার ভালোবাসা জানাই হেমন্তকে 

হেমন্ত কয় আমিও দিলাম আমার এ মন তোকে।

 

খুকি ও হাতি

ছাবিলা ইয়াছমিন মিতা

মিষ্টি হাসির ছোট্ট খুকি 

আঁকলো খাতায় হাতি,

হাতি এঁকে ভাবলো আবার

মারবে না'তো লাথি ? 

 

এই তো কেবল হাতিটা ঐ

শুঁড় করেছে বাঁকা, 

না-না বাবা এইখানে আর

যাবে না'তো থাকা। 

 

রঙ তুলিটা হাতে নিয়ে

ভাবলো মনে মনে,

হাতিটাকে পাঠাবেই সে

ঐযে সুন্দর বনে। 

 

সুন্দর বনের ছবি এবার

ফেললো খুকি এঁকে, 

তারপরে ঐ হাতিটা কে

আসলো সেথায় রেখে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ